Islamic sources

সাইয়েদ আলী খামেনী

সাইয়েদ আলী খামেনী

সপ্তাহের লেখক

সাইয়্যেদ আলী হোসেইনি খামেনেই (মাশহাদ, ১৯ এপ্রিল ১৯৩৯ – তেহরান, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬), যিনি আয়াতুল্লাহ খামেনেই নামে পরিচিত, ছিলেন ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা এবং একজন শিয়া ধর্মীয় কর্তৃপক্ষ। ইরানের ইসলামী বিপ্লবের পূর্বে তিনি পাহলভী শাসনের বিরুদ্ধে সংগ্রামী ছিলেন এবং বিপ্লবী কর্মকাণ্ডের কারণে কিছু সময় কারাবাস ও নির্বাসনে কাটান। ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরান প্রতিষ্ঠার পর তিনি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন, যার মধ্যে ছিল দুই মেয়াদে রাষ্ট্রপতি পদে অধিষ্ঠান (১৯৮১–১৯৮৯), ইসলামী পরামর্শ পরিষদের প্রতিনিধি, এবং তেহরানের জুমার নামাজের ইমামতি। ১৯৮৯ সালে তিনি ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নির্বাচিত হন। আয়াতুল্লাহ খামেনেই সমকালীন সাহিত্য ও ইতিহাসে আগ্রহী ছিলেন এবং “আমিন” ছদ্মনামে কবিতা রচনা করতেন। তাঁর উল্লেখযোগ্য রচনাগুলোর মধ্যে রয়েছে আল-কুরআনে ইসলামী চিন্তার রূপরেখা, দ্য ২৫০-ইয়ার-ওল্ড ম্যান (শিয়া ইমামদের রাজনৈতিক জীবনের বিশ্লেষণ), গিনা (গিনা ও সঙ্গীত বিষয়ে উচ্চতর পাঠ), এবং ফিলিস্তিন প্রসঙ্গে তাঁর বক্তৃতাভিত্তিক গ্রন্থসমূহ। এছাড়াও তাঁর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ রচনার মধ্যে রয়েছে একত্ববাদের চেতনা: আল্লাহ ব্যতীত অন্যের দাসত্বের প্রত্যাখ্যান, এবং ইমাম হাসানের সন্ধি ও ইসলামের জগতে ভবিষ্যৎ গ্রন্থদ্বয়ের অনুবাদ। শিক্ষা সাইয়্যেদ আলী খামেনেই চার বছর বয়সে কিন্ডারগার্টেনে কুরআন শিক্ষা গ্রহণের মাধ্যমে তাঁর শিক্ষাজীবন শুরু করেন। প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যয়নের পাশাপাশি তিনি মাশহাদে কুরআন তিলাওয়াত ও তাজবিদ শিক্ষা গ্রহণ করেন। প্রাথমিক শিক্ষার শেষ পর্যায়ে তিনি প্রাথমিক হাওযা (ধর্মীয় শিক্ষা) শুরু করেন। প্রাথমিক শিক্ষা সমাপ্তির পর তিনি সোলায়মান খান মাদরাসায় ধর্মীয় শিক্ষা চালিয়ে যান এবং নবাব মাদরাসায় উচ্চতর পাঠ সম্পন্ন করেন। তিনি তাঁর পিতার কাছ থেকেও প্রাথমিক ও উচ্চতর ধর্মীয় শিক্ষার একটি অংশ অর্জন করেন। হাওযার শিক্ষার পাশাপাশি তিনি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষ পর্যন্ত সাধারণ শিক্ষাও চালিয়ে যান। ১৯৫৫ সালে তিনি সাইয়্যেদ মোহাম্মদ হাদি মিলানির বহির্ভূত ফিকহ পাঠে অংশগ্রহণ করেন। ১৯৫৮ সালে তিনি পরিবারের সঙ্গে স্বল্প সময়ের জন্য নাজাফ সফর করেন এবং নাজাফ হাওযার পাঠে অংশ নেন। কিন্তু তাঁর পিতার অনিচ্ছার কারণে সেখানে স্থায়ীভাবে না থেকে তিনি মাশহাদে ফিরে আসেন এবং আরও এক বছর আয়াতুল্লাহ মিলানির ক্লাসে অংশ নেন। ১৯৫৯ সালে তিনি কুম হাওযায় গমন করেন। শিক্ষকতা মাশহাদে ফিরে আসার পর থেকেই সাইয়্যেদ আলী খামেনেই ফিকহ ও উসূলের উচ্চতর পাঠ (রাসায়েল, মাকাসিব, ও কিফায়াহ) শিক্ষা দিতে শুরু করেন এবং সাধারণ মানুষের জন্য তাফসিরের আসর পরিচালনা করেন। ১৯৬৮ সালে তিনি ধর্মীয় ছাত্রদের জন্য বিশেষায়িত তাফসির ক্লাস শুরু করেন। গ্রেফতার ও ইরানশাহরে নির্বাসনের পূর্ব পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত, এই ক্লাস ও তাফসির অধিবেশন অব্যাহত ছিল। রাষ্ট্রপতি থাকার সময় এবং পরবর্তীতেও তাফসিরের আসর চলতে থাকে। ১৯৮০ সালে সর্বোচ্চ নেতা হওয়ার পর তিনি ইমাম খোমেনির হোসেইনিয়ায় বহির্ভূত ফিকহ পাঠদান শুরু করেন এবং এখন পর্যন্ত জিহাদ, কিসাস, মাহরাম মাকাসিব, ও মুসাফিরের নামাজ সম্পর্কিত অধ্যায় শিক্ষা দিয়েছেন। শিক্ষকমণ্ডলী সাইয়্যেদ জালিল হোসেইনি সিস্তানি, সাইয়্যেদ জাওয়াদ খামেনেই, মির্জা মোহাম্মদ মুদাররিস ইয়াজদি, হাশেম কাজভিনি, সাইয়্যেদ মোহাম্মদ হাদি মিলানি, সাইয়্যেদ হোসেইন বোরুজেরদি, ইমাম খোমেনি, মোর্তেজা হায়েরি ইয়াজদি, সাইয়্যেদ মোহাম্মদ মোহাক্কিক দামাদ এবং আল্লামা তাবাতাবায়ি ছিলেন আয়াতুল্লাহ খামেনেইর শিক্ষকদের মধ্যে অন্যতম। এছাড়াও জানা যায় যে তিনি স্বল্প সময়ের জন্য মুজতবা কাজভিনির দর্শনের ক্লাসেও অংশগ্রহণ করেছিলেন। চিন্তাধারা আয়াতুল্লাহ খামেনেইর গুরুত্বপূর্ণ ফিকহি মতামতের মধ্যে রয়েছে আত্মপ্রহার নিষিদ্ধ ঘোষণা, সুন্নিদের পবিত্র বিষয়াবলিকে অপমান করার নিষেধাজ্ঞা, এবং পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তিনি ফিলিস্তিন সমস্যার সমাধান হিসেবে গণভোটের প্রস্তাব দেন এবং জায়নবাদী শাসনের বিরুদ্ধে প্রতিরোধের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞার মোকাবিলায় তিনি “প্রতিরোধ অর্থনীতি” তত্ত্ব উপস্থাপন করেন। প্রতিরোধ ফ্রন্টকে সমর্থন, সাংস্কৃতিক আগ্রাসনের মোকাবিলা, এবং “ব্যাখ্যার জিহাদ”-এর ওপর গুরুত্ব প্রদানও তাঁর চিন্তাধারার গুরুত্বপূর্ণ অংশ। রচনা ও গবেষণা আল-কুরআনে ইসলামী চিন্তার সামগ্রিক রূপরেখা নামাজের গভীরতা থেকে ধৈর্য নিয়ে আলোচনা ইলমে রিজালের চারটি মূল গ্রন্থ ওয়িলায়াত মাশহাদ হাওযার ঐতিহাসিক পটভূমি ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কিত প্রতিবেদন শিয়া ইমামদের জীবনী (অপ্রকাশিত) সত্যিকারের নেতা ঐক্য ও দলাদলি আয়াতুল্লাহ খামেনেইর দৃষ্টিতে শিল্প ধর্মকে সঠিকভাবে বোঝা ইমামদের (আ.) জীবনে সংগ্রামের উপাদান একত্ববাদের চেতনা: আল্লাহ ব্যতীত অন্যের ইবাদতের প্রত্যাখ্যান কুরআনের দিকে ফিরে যাওয়ার প্রয়োজনীয়তা ইমাম সাজ্জাদ (আ.)-এর জীবন ইমাম রেজা (আ.) ও নেতৃত্ব সাংস্কৃতিক আগ্রাসন (তাঁর বক্তৃতা ও বার্তা থেকে সংকলিত) হাদিসে ওয়িলায়াত (তাঁর বার্তা ও বক্তৃতার সংকলন; এ পর্যন্ত ৯ খণ্ড প্রকাশিত হয়েছে)। অনূদিত গ্রন্থ ইমাম হাসান (আ.)-এর সন্ধি, রাযি আল-ইয়াসিন রচিত। ইসলামের জগতে ভবিষ্যৎ, সাইয়্যেদ কুতুব রচিত। ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনে মুসলমানরা, আবদুল মুনইম নিমরি নাসরি রচিত। পাশ্চাত্য সভ্যতার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র, সাইয়্যেদ কুতুব রচিত। আরো বিস্তারিত ...

সপ্তাহের বই


ইবলিশের পাখায় আগুন দিল ইরান

ইবলিশের পাখায় আগুন দিল ইরান

ইসলামী জাগরণ, বিপ্লব এবং মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক চেতনা নিয়ে ১৯৮০-এর দশকে বহু আলোচনা ও লেখালেখি সৃষ্টি হয়। সেই প্রেক্ষাপটে রচিত একটি উল্লেখযোগ্য পুস্তিকা হলো ইবলিশের পাখায় আগুন দিল ইরান। এই গ্রন্থে লেখক ইরানের ইসলামী বিপ্লব, মুসলিম বিশ্বের উপর তার প্রভাব এবং সমকালীন রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন। বই সম্পর্কেইবলিশের পাখায় আগুন দিল ইরান গ্রন্থটি রচনা করেছেন Chowkdar Mohammad Abdus Sattar। এতে ইরানের ইসলামী বিপ্লবের প্রেক্ষাপট, মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং ইসলামী ঐক্যের প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। লেখক মনে করেন যে ইরানের বিপ্লব মুসলিম সমাজে নতুন চেতনা সৃষ্টি করেছে এবং ইসলামী আদর্শ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।বইটি প্রকাশিত হয় ১ অক্টোবর ১৯৮৪ সালে (৪ মহররম ১৪০৫ হিজরি)। গ্রন্থে বিভিন্ন অধ্যায়ের মাধ্যমে ইসলামী ঐক্য, জিহাদের ধারণা, মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক বাস্তবতা এবং শিয়া-সুন্নি সম্পর্কের প্রসঙ্গ আলোচনা করা হয়েছে। আপনি এই বইয়ে যা আবিষ্কার করবেন ইরানের ইসলামী বিপ্লব সম্পর্কে লেখকের বিশ্লেষণ ও দৃষ্টিভঙ্গি। মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা। ইসলামী ঐক্য ও জাগরণের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে লেখকের মতামত। কুরআনের আলোকে মানব জীবনের উদ্দেশ্য ও আল্লাহর সার্বভৌমত্বের ধারণা। সমসাময়িক ইসলামী আন্দোলন ও মতবাদের প্রসঙ্গ। লেখক সম্পর্কেChowkdar Mohammad Abdus Sattar বাংলাদেশের একজন লেখক, যিনি ইসলামী চিন্তাধারা, সমসাময়িক রাজনীতি এবং মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে লেখালেখি করেছেন। তাঁর রচনায় ইসলামী ঐক্য, রাজনৈতিক সচেতনতা এবং মুসলিম সমাজের জাগরণের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে। এই বইটি কার জন্যএই বইটি তাদের জন্য, যারা ইরানের ইসলামী বিপ্লব, মুসলিম বিশ্বের রাজনৈতিক চিন্তাধারা এবং সমসাময়িক ইসলামী আন্দোলনের বিষয়ে লেখকের বিশ্লেষণ জানতে আগ্রহী।

3
411
জিবন জিজ্ঞাসা

জিবন জিজ্ঞাসা

মানুষের জীবনে নানা প্রশ্ন—আমি কে, কেন এসেছি, জীবনের উদ্দেশ্য কী, নৈতিকতার ভিত্তি কোথায়—এই মৌলিক জিজ্ঞাসাগুলো যুগে যুগে চিন্তাবিদদের ভাবনায় স্থান পেয়েছে। সেই গভীর প্রশ্নগুলোর উত্তর অনুসন্ধানের একটি চিন্তাশীল প্রয়াস হলো জীবন জিজ্ঞাসা। সহজ ভাষায় জীবন, বিশ্বাস ও মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে আলোচনা করে এই গ্রন্থ পাঠককে আত্মচিন্তা ও উপলব্ধির পথে আহ্বান জানায়। বই সম্পর্কেজীবন জিজ্ঞাসা রচনা করেছেন Mohammad Ashraf Uddin Khan। গ্রন্থটিতে মানুষের জীবন, নৈতিকতা, ধর্মীয় বিশ্বাস এবং মানবিক দায়িত্ব সম্পর্কে চিন্তাশীল আলোচনা উপস্থাপন করা হয়েছে। লেখক বিভিন্ন দার্শনিক ও নৈতিক প্রশ্নকে সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করে পাঠকের সামনে জীবনের উদ্দেশ্য ও মূল্যবোধ নিয়ে ভাবনার নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছেন।বইটি প্রকাশ করেছে Prottay Prokashoni, ঢাকা। এর প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয় ৩ মে ১৯৯১ সালে (বাংলা ১৯ শে বৈশাখ ১৩৯৮; ১৭ শাওয়াল ১৪১১ হিজরি) এবং প্রকাশক ছিলেন Zahir Uddin Mahmud। আপনি এই বইয়ে যা আবিষ্কার করবেন জীবনের উদ্দেশ্য ও মানব অস্তিত্ব সম্পর্কে মৌলিক প্রশ্নের আলোচনা। নৈতিকতা, বিশ্বাস এবং মানবিক দায়িত্ব সম্পর্কে চিন্তাশীল বিশ্লেষণ। দৈনন্দিন জীবনের সমস্যা ও দ্বন্দ্বের নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি। আত্মচিন্তা ও আত্মউন্নয়নের জন্য অনুপ্রেরণামূলক ধারণা। সহজ ভাষায় উপস্থাপিত গভীর দার্শনিক ও নৈতিক ভাবনা। লেখক সম্পর্কেMohammad Ashraf Uddin Khan একজন চিন্তাশীল লেখক, যিনি সমাজ, ধর্ম ও মানবজীবনের নানা প্রশ্ন নিয়ে লেখালেখি করেছেন। তাঁর রচনায় যুক্তি, নৈতিকতা এবং আধ্যাত্মিকতার সমন্বিত আলোচনা পাওয়া যায়, যা পাঠককে গভীরভাবে চিন্তা করতে উদ্বুদ্ধ করে। এই বইটি কার জন্যএই বইটি তাদের জন্য, যারা জীবনের উদ্দেশ্য, নৈতিকতা এবং মানবিক মূল্যবোধ সম্পর্কে চিন্তা করতে ভালোবাসেন এবং সহজ ভাষায় গভীর জীবনদর্শন জানতে আগ্রহী।

3
338
তাহেরেহ সফরজাদেহ স্বনির্বাচিত কবিতা

তাহেরেহ সফরজাদেহ স্বনির্বাচিত কবিতা

কবিতা মানুষের অনুভূতি, চিন্তা ও সময়ের প্রতিচ্ছবি বহন করে। সমকালীন ফারসি সাহিত্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কবি Tahereh Saffarzadeh তাঁর কবিতায় ব্যক্তিগত অনুভব, সামাজিক বাস্তবতা, মানবিক বোধ এবং আধ্যাত্মিক চিন্তাকে এক অনন্য ভাষায় প্রকাশ করেছেন। তাহেরেহ সফরজাদেহ স্বনির্বাচিত কবিতা গ্রন্থটি পাঠককে এমন এক কাব্যজগতে নিয়ে যায়, যেখানে অনুভূতি ও চিন্তার গভীরতা একসঙ্গে ধ্বনিত হয়। বই সম্পর্কে তাহেরেহ সফরজাদেহ স্বনির্বাচিত কবিতা গ্রন্থে Tahereh Saffarzadeh-এর নির্বাচিত কবিতাগুলো সংকলিত হয়েছে। কবিতাগুলোতে মানবজীবনের নানা অভিজ্ঞতা, সমাজের বৈপরীত্য, স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা, আধ্যাত্মিকতা এবং মানুষের অন্তর্গত অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে। অনুবাদক আনিসুর রহমান স্পন মূল কবিতার আবেগ ও ভাবধারাকে বাংলা ভাষায় সাবলীলভাবে উপস্থাপন করেছেন। ফলে পাঠক ফারসি কবিতার সৌন্দর্য ও গভীরতা সহজেই অনুভব করতে পারবেন। এই গ্রন্থ শুধু কবিতার সংকলন নয়; বরং এটি সমকালীন সাহিত্য ও মানবিক চেতনার এক গুরুত্বপূর্ণ প্রকাশ। আপনি কী জানতে পারবেন Tahereh Saffarzadeh-এর নির্বাচিত কবিতার ভাব ও বিষয়বস্তু। সমকালীন ফারসি কবিতার সাহিত্যিক বৈশিষ্ট্য। মানবজীবন, সমাজ ও আধ্যাত্মিকতার নানা দিক। কবিতার মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও সামাজিক অনুভূতির প্রকাশ। অনুবাদের মাধ্যমে ভিন্ন ভাষার সাহিত্যিক সৌন্দর্য উপলব্ধি। লেখক সম্পর্কে Tahereh Saffarzadeh ছিলেন একজন বিশিষ্ট ইরানি কবি, সাহিত্যিক ও অনুবাদক। তাঁর সাহিত্যকর্মে মানবিক মূল্যবোধ, সামাজিক সচেতনতা এবং আধ্যাত্মিক চিন্তার সমন্বয় দেখা যায়। তিনি আধুনিক ফারসি সাহিত্যে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। অনুবাদক সম্পর্কে আনিসুর রহমান স্পন বাংলা ভাষায় বিশ্বসাহিত্য ও অনুবাদ সাহিত্যের সঙ্গে যুক্ত একজন অনুবাদক। তাঁর অনুবাদে মূল রচনার ভাব, আবেগ ও সাহিত্যিক সৌন্দর্য অক্ষুণ্ণ রাখার প্রয়াস লক্ষ করা যায়। এই বইটি কার জন্য এই বইটি তাদের জন্য উপযোগী, যারা কবিতা, ফারসি সাহিত্য, অনুবাদ সাহিত্য এবং মানবিক ও আধ্যাত্মিক অনুভূতির গভীর প্রকাশ সম্পর্কে জানতে আগ্রহী।

0
322

মিডিয়া


  • কুদস দিবস (ফিলিস্তিন)
  • হজের প্রভাব ও বরকত
  • পবিত্র কুরআনের প্রভাব ও বরকতসমূহ
  • গাদিরে খুমের ঈদ